আজ বলতে চলেছি অত্যাচারী পুলিশদের নিয়ে কিছু কথা ।
পুলিশের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে ।
পুলিশদের হাত থেকে বাঁচতে , এবং বেঁচে থাকার তাগিদে । গ্রামের থেকে শহরে যাওয়া সমস্ত শাকসবজি তরিতরকারি যাওয়া বন্ধ করে দিতে হবে । তাহলে বুঝতে পারবে কোন গরীবের উপর অত্যাচার করতে গেলে কোথায় গিয়ে আঘাত লাগে ।
হয়তো আমার এই পোস্টটি অনেক ভালো নাও লাগতে পারে । তবুও পোস্ট টি করতে বাধ্য হচ্ছে । বিশেষ করে আইনজীবী মানুষদের ।
গ্রামের লোকেদের তো চুরি করে বা হাওলাত (ধার করে) হাত পেতে দিন চলে যাবে । মরবে শহরের লোক । যারা চাকরি করে তারা । যাদের অগাধ পয়সা আছে । যারা মানুষকে মানুষ বলে না । তারা কি খেয়ে বেঁচে থাকবে ।
পুলিশ সাধারণ মানুষের ওপর যে পরিমাণ অত্যাচার করছে , পুলিশের দাদাগিরি ইন্টারনেটে দেখার পরে এগুলো লিখতে বাধ্য হলাম ।
পুলিশ মুদিখানার দোকানের উপর অত্যাচার করছে । রাস্তায় যারা তরিতরকারি নিয়ে বসেছে তাদের উপর অত্যাচার করছে । এমন ভাবে চলতে থাকলে , সাধারণ মানুষ বাঁচবে কিভাবে । যদি সাধারন মানুষ একত্রিত হয়ে যায় । তাহলে পয়সাওয়ালা লোকএদের খাওয়া ঘুম থাকবে না ।
তাই সকল আইনজীবী এবং চাকরিজীবী মানুষদের বলছি গরিব মানুষ এবং সাধারন মানুষদের কে সম্মান করুন এবং সম্মান দিতে শিখুন ।
যদি সাধারন মানুষ মাঠে থেকে ফসল না ওঠায় তাহলে কি খেয়ে বেঁচে থাকবেন আপনারা ।
রাস্তায় বেরোলে পুলিশ প্রচণ্ড মারধর করছে । ঠিক আছে মারধর করছেন ঠিক আছে । মাল বহনকারী গাড়ি গুলো ছেড়ে দিন । পা ভ্যান ইন্জিন ভ্যান যানবাহনগুলোকে তো ছেড়ে দিন । তা না হলে এরা চালডাল বহন করবে কিভাবে । আপনাদের কাছে শাকসবজি পরিবহন করবে কিভাবে । এরা যদি আজ পুলিশের অত্যাচারে ঘরে বসে থাকে । তাহলে দোকানে দোকানে খাবার-দাবার পৌঁছাবে কিভাবে । তাই বলছি দেশের সাধারণ মানুষকে দেশের সকল সাধারণ মানুষকে সম্মান দিতে শিখুন । পুলিশ প্রশাসনকে বলছি বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষদের কে সম্মান করুন । সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ যদি নিজের অহংকার দেখায় , তাহলে সে অহংকার এর প্রকোপে কেউ বাঁচতে পারবেন না । পুরো দেশকে না খেয়ে মরতে হবে ।
লিখতে গেলে সারাদিন লেগে যাবে । বাকি ঘটনাতো বুঝতেই পারছে । আপনাদের চোখের সামনে ঘোটছে । যদি আমাদের এই গল্পটি ভাল লাগে তাহলে একটি লাইক এবং শেয়ার করবেন ।




0 Comments