করোনা ভাইরাস নিয়ে সাধারণ মানুষের ভুল ধারণা । যেগুলো করলে করোনা ভাইরাস থেকে মুক্ত হওয়া যাবে না পুরোপুরি

Koruna viras
করুনা ভাইরাস টি নুতন । এ নিয়ে গবেষণা এখনো চলছে । এই করুনা ভাইরাস মারাত্মক ভাবে মহামারী রূপ ধারণ করেছে ।

করণা ভাইরাসটি দেশের মহামারী হিসাবে ধারণ করেছে । এই ভাইরাসটি চীনের থেকে এসছে । এই ভাইরাসটি সম্পর্কে অনেকে অনেক রকম কথা বলেছেন ।

করুনা ভাইরাসকে কেউ অবহেলা করবেন না । এই করুণা ভাইরাস সত্যিই খুব মারাত্মক  ।
করোনা ভাইরাস নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ কিছু ভিত্তিহীন তথ্য ঘোরাঘুরি করছে । বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা সিডিসি , করোনা  রোগ বিষয়ে কি করবেন , কি করবেন না , তা তুলে ধরেছে ।

1- একটু পর পর পানি, লবণ বা ভিনিগার মিশ্রিত পানি বা গরম পানি পান করলে কিম্বা গলা ভেজালে অথবা রসুন মুখে রাখলে কোরনা থেকে ফুসফুসে যায় না । এটা সম্পূর্ণ বানোয়াট কথা

2- গরম করোনা সংক্রমণ হবে না , এই ধারণাও ভুল ।
 আবহাওয়া ও পরিবেশের তাপমাত্রার সঙ্গে করোনা সংক্রমনের কোন সম্পর্ক নেই । করোনা যেকোনো রাজ্যে যে কোন তাপমাত্রায় সংক্রমণ ঘটাতে পারে ।

3- থার্মাল স্ক্যানার কেবল শরীরের তাপমাত্রা নির্ণয় করে । এই থার্মাল স্ক্যান মেশিন এর মাধ্যমে করোনার সংক্রমণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় না । কাজেই থার্মাল স্ক্যানারে ধরা না পড়লে করোনা হয়নি এমন মনে করা ঠিক নয় ।

করোনা মতো মহামারী রূপ , সাধারণ উপসর্গ দেখা দিতে 2 থেকে 10 দিন সময় লাগে । তাই ঝুঁকিপূর্ণ ব্যাক্তিদের অন্তত 14 দিন (কোয়ারেন্টিনে) বাড়িতে থাকতে হবে ।
4- ফেস মাস্কে করোনা প্রতিরোধ করা যায় , এটিও একটি ভুল ধারণা । সাধারণ সার্জিক্যাল মাক্স পড়ার পর মার্ক্সের মধ্যে বেশ খানিকটা ফাঁকা থাকে , যা ড্রপলেট (মুখ নিসৃত  ক্ষুদ্র তরল কণা ) প্রবেশের জন্য যথেষ্ট ।

 এন 95 মাস্ক বাতাসের 95% 0.3 মাইক্রন  বা তার চেয়ে বড়ো কণা আটকাতে পারে । তার মানে এই নয় যে এই মাক্স পড়লে করোনা প্রতিরোধ করা যাবে ।

কভিড 19 রোগী এবং রোগীর পরিচর্যা কারী  , সেবাদানকারী হাসপাতালের চিকিৎসক নার্স দের মাস্ক পরা জরুরি ।

6- হ্যাণ্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিস্কার করলেই যে আপনি করোনা মুক্ত থাকবেন , এই কথা কি ও পুর পুরি সত্য নয় ।

60 % এলকোহল আছে এমন স্যানিটাইজার করোনার মতো ভাইরাস ধ্বংস করতে সক্ষম । তবে নোভেল করোনা ভাইরাস ক্ষেত্রে সেটা কতোটা  কার্যকর তার বলা মুশকিল ।

7- ভারতের একদল লোক গোমুত্র খেয়ে দাবি করছে করোনা মুক্ত থাকা যাবে । যা একদমই অন্ধ বিশ্বাস , যার সাথে বিঙ্গানের কোন ভিত্তি নেই । এসব করবেন না ।
8-থানকুনি পাতা খেলে করোনা ভাইরাসে ধরবে না । ভাইরা ভাই বন্ধুরা বা আত্মীয়-স্বজনরা থানকুনি পাতা আপনার পেটের জন্য নিঃসন্দেহে ভালো । দয়া করে এই  করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক ভেবে ভুল করবেন না ।

করুণা ভাইরাসটি ছড়াই যেভাবে ?

 প্রথমত করোনা ভাইরাসটি ছড়ায় ব্যাক্তির শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে । হাঁচি, কাশি কিংবা কথা বলার সময় মুখ থেকে বেরিয়ে আসা নিঃসৃত তরল কণা বা ড্রপলেট এর মাধ্যমে বেরিয়ে এসে যে কোনো বস্তু বাদ ধরে লেগে যায় করোনা ভাইরাস ।

সেই জায়গায় স্পর্শ করলে হাত থেকে প্যালেস্টাইন নাক, চোখ , মুখ দিয়ে সুস্থ ব্যক্তি আক্রান্ত হতে পারে । তাই পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখা জরুরি । অন্তত 3 ফুট দূরে থাকতে হবে । এবং কখনো কারো সাথে হাত মেলানো চলবে না ।

Post a Comment

0 Comments