দেশের প্রধানমন্ত্রীর কথা করুণা ভাইরাস নিয়ে ।

একটি দেশের প্রধানমন্ত্রী কেমন হওয়া উচিত ? একটা দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কেমন দায়িত্ব হওয়া উচিত দেশের নাগরিকদের উপর ? একজন দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে করোনাভাইরাস এরজন্য দেশের মানুষের জন্য কেমন পদক্ষেপ নেওয়া উচিত ? 


আমরা বসবাস করে একটি স্বাধীন দেশে । দেশটির নাম ভারত বর্ষ । আজকের আলোচনার বিষয় দেশের প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য করোনা ভাইরাস নিয়ে । আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী করোনা ভাইরাস কোন বিষয়ে আলোচনা করেন । শুধু শুধু দেশটাকে লকডাউন করে রেখেছে ।

এবার বলতে চাচ্ছি কানাডার দেশের প্রধানমন্ত্রী কি বলছে করোনাভাইরাস নিয়ে ।এবং সমস্ত দেশের প্রধানমন্ত্রীকে একই রকম হওয়া উচিত বা সকল প্রধানমন্ত্রী করনিয় এই বাক্য গুলো ।

দেশের প্রধানমন্ত্রীর দের বিচার বিবেচনা ।


সমস্ত দেশকে লক ডাউন করে দেয়া হয়েছে । অন্য দেশের মানুষ এই দেশে আসতে পারছেনা , এই দেশ থেকে অন্য দেশে যেতে পারছেনা । খেটে খাওয়া দিনমজুর মানুষ যারা অভাবের তাড়নায় দুটি পয়সার জন্য বাইরে যাই কাজে , তারাও দেশের বাইরে কাজে যেতে পারছেনা ।

সমস্ত ইস্কুল , আদালত , কাজের জায়গা , যানবহন , সমস্ত কিছু বন্ধ । দেশের সাধারণ মানুষের রোজগার বন্ধ । এই বিষয়ে আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী কিছু বলার নেই ।

করোনা ভাইরাস নিয়ে কানাডার প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ? 


কানাডার প্রধানমন্ত্রী যা বলেন যাতির উদ্দেশ্যে  করোনা ভাইরাস নিয়ে ? জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণ , প্রিয় কানাডা বাঁশি আমি জানি আজ সবাই এই মুহূর্তে কঠিন সময় অতিবাহিত করছেন । আশা করি এই বিপদ থেকে আমরা খুব দ্রুত কাটিয়ে উঠব । সেজন্য আমার আপনাদের সাহায্যের প্রয়োজন ।

কানাডা প্রধানমন্ত্রী মূল বক্তব্য করোনা ভাইরাস নিয়ে ।


আপনাদের জন্য আজ আমি প্রধানমন্ত্রী । দেশের জনগণের সেবা ও নিরাপত্তা দেওয়া আমার মূল কাজ । আমি চাইলে নিজের ঘরে বন্দী থাকতে পারতাম ।তবুও আমি ঝুঁকি নিয়ে আপনাদের খোঁজখবর নিচ্ছি বাইরে বের হচ্ছি , কারণ আপনারাই আমার বেঁচে থাকার অক্সিজেন ।

আপনারা সুস্থ থাকলে আমি সুস্থ । আপনাদের থেকে গুরুত্বপূর্ণ আমার কাছে আর কিছুই নেই । আপনাদের কাছে অনুরোধ , আপনারা 1 মাস নিজের বাসায় অবস্থান করুন । শুধুমাত্র ঔষধ প্রয়োজনীয় খাবার ও পানীয় দোকানগুলি খোলা রাখবেন ।

তবুও সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিটি নাগরিকের বাসায় এক মাসে যাবতীয় খাবার , পানি , ঔষধ  আমরা পৌঁছে দিচ্ছি । এছাড়া যখন যা লাগে আমাদের দেওয়া নম্বরে যোগাযোগ করবেন । আপনাদের বাসায় সবকিছু পৌঁছে দেওয়া হবে । তবুও বাসা থেকে বের হবেন না । ভয় নেই কাউকে অনাহারে থাকতে হবে না ।


কানাডা প্রধানমন্ত্রীর আরও একটি বক্তব্য করোনা ভাইরাস নিয়ে ।


কানাডার প্রধানমন্ত্রী আরো বলেছেন , নিজের বাসায় অবস্থান করুন , সচেতন থাকুন ‌। আপাততো আমাদের দেশ লকডাউন করে দিচ্ছি , পরিস্থিতি উন্নতি হলে আবার খুলে দেয়া হবে । আমার উপর আপনারা আস্থা রাখুন ।

আপনারা যারা অফিস-আদালত কিংবা অন্যান্য প্রতিষ্ঠান কাজে নিয়োজিত ছিলেন , আপনাদের কারো কাজে যেতে হবে না । সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অফিস ও কারখানা বন্ধ ঘোষণা করলাম ।


কানাডার প্রধানমন্ত্রী আরো একটি অসাধারণ কথা বলেছেন , এই অসাধারণ কথাটি কি তা জেনেনিন ।


কানাডার প্রধানমন্ত্রী আরো বলছেন , দুশ্চিন্তা করবেন না আপনাদের সবার একাউন্টে আপনাদের মাসিক বেতনের টাকা পৌঁছে যাবে । শুধু তাই নয় আপনারা যারা বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করেন , সেই ভাড়া সরকার বহন করবেন ।

দেশ লকডাউন হয়ে যাওয়া , গৃহবন্দী হয়ে যাওয়া , এইসব বিষয় নিয়ে একটু চিন্তিত হবার প্রয়োজন নেই । আপনাদের ভালো রাখে আমাদের কাজ (দায়িত্ব) । যারা সরকারের নিয়ম মানবে তাদের এককালীন অতিরিক্ত অর্থ পুরস্কার প্রদান করা হবে ।


করোনা ভাইরাস এর বিষয়ে আরেকটি তথ্য প্রধানমন্ত্রীর ।


করুণা ভাইরাস আজ পুরো বিশ্বে এক আতঙ্কের নাম । আপনাদের সবার সহযোগিতা দরকার । আপনারা কেউ ঘর থেকে বের হবেন না , বাসায় থাকুন এবং সচেতন থাকার চেষ্টা করুন । আশা করি শীঘ্রই আমরা এই বিপদ কাটিয়ে উঠবো । এই করোনা ভাইরাস যাতে না ছড়ায় সেই জন্য আপনারা আমাকে সহযোগিতা করুন ।। এই বলে ধন্যবাদ জানালো কানাডার প্রধানমন্ত্রী ।

করোনা ভাইরাস নিয়ে সকল  দেশের প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য এটাই হওয়া উচিত ।


প্রধানমন্ত্রীকে জানা উচিত যে গ্রামের এবং শহরে কেমন প্রভাব পড়ছে করোনা ভাইরাস বা দেশকে লকডাউন করার জন্য  ।

শহরের দিকে যে সমস্ত লোক ঘর ভাড়া করে থাকে তারা কাজে যেতে পারছেনা । ঘর ভাড়া দেবে কিভাবে । দু'বেলা দু'মুঠো খাবে কিভাবে । শহরের দিকে  যাদের বাড়ি । দিনমজুরি করে খায় তারা কাজে যেতে পারছেনা । কি করে চলবে তাদের সংসার । এ বিষয়ে কি গভর্মেন্টের নজর আছে । লকডাউন লকডাউন করার পরিণতি কতটা নিচে নেমে যাচ্ছে ।

শহর থেকে যে সমস্ত ড্রাইভার গাড়ি চালিয়ে রুজি রুজি রোজগার করে এই লকডাউন এর কারণে এদের সংসার কিভাবে চলে । কেউ বাইরে বেরোবে না তাহলে । শহরের দিকে যে সমস্ত গাড়ি চলাচল করে তার বেশিরভাগই চালায়ে খেটে খাওয়া দিনমজুর । করোনা ভাইরাস বা লন্ডনের কারণে সাধারণ মানুষের যদি ভাত রুটি যোগাড় করতে না পেরে বাঁচবে কিভাবে ।

তাই আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটাই আবেদন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব একটি পদক্ষেপ নিন ।
প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন সঠিক পদক্ষেপ নিন । সঠিক পদক্ষেপ নিতে না পারেন তাহলে সঠিক মানুষের সাথে যোগাযোগ করুন অসৎ যুক্তি দেব না ।

Post a Comment

0 Comments